শ্রমিকদের উপর এদেশে আর জুলুমতন্ত্র কায়েম করতে দেয়া হবে না-
এড আতিকুর রহমান
বিগত ২৪ জুলাই বিপ্লবের পুর্বে একটি শ্রমিক সংগঠন শ্রমিকদের উপর জুলুমতন্ত্র কায়েম করেছিল। শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে ছিনিবিনি খেলতো। শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের নামে নিজেরা সুবিধাভোগ গ্রহণ করত।
বর্তমান সরকারের শ্রমিক সংগঠন নতুন করে জুলুমতন্ত্র কায়েম করার চেষ্টা করছে। শ্রমিকদের উপর এদেশে আর জুলুমতন্ত্র কায়েম করতে দেয়া হবে না। শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সিলেট মহানগর কর্তৃক আয়োজিত শহরের একটি অডিটেরিয়ামে ট্রেড ইউনিট টিসিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা গুলো বলেছেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি এড আতিকুর রহমান। ১৫ মে অনুষ্ঠিত উক্ত টিসিতে মহানগর সভাপতি এড জামিল আহমেদ রাজুর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগরীর প্রধান উপদেষ্টা ফখরুল ইসলাম, উপদেষ্টা হাফিজ মাওলানা মিফতাহ উদ্দিন, শাহজাহান আলী ,কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক এড আলমগীর হোসাইন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহানগর সহ সভাপতি মিয়া মো: রাসেল,সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ফারুক,সহ সাধারণ সম্পাদক কফিল উদ্দিন আলমগীর, আক্কাস আলী,নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক দিলশাদ মিয়া, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মুহিবুর রহমান শামীম,প্রচার সম্পাদক নাজমুল ইসলামসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। প্রধান অতিথি তার বক্তব্য বলেন,কারখানার শ্রমিকরা ন্যায্য আন্দোলন করতে গেল হয়রানি হয়,জুলুম করা হচ্ছে,বকেয়া বেতন ও মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলন করতে গেলে পুলিশী হয়রানি করা হয়,হুমকি দেয়া হয়, এমনকি জেল জুলুম পর্যন্ত হয়। তিনি ২০২৩ সালের গাজীপুরে ন্যায্য দাবি আদায়ের আন্দোলনে গুলিতে নিহতের ঘটনাকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি আরো বলেন, রানা প্লাজার ঘটনায় ১১ শত নিহতের পরে কর্মস্থলে এখনো নিরাপদ কর্ম পরিবেশ তৈরি হয় নাই।
তিনি বলেন, শ্রমিক সংগঠনগুলো সঠিক দায়িত্ব পালন করলে আজকে শ্রমিকদের এই অবস্থার সৃষ্টি হতো না। শ্রমিক ময়দানে সবচেয়ে বেশি অভাব সৎ নেতৃত্বের। শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সেই অভাব পুরনের চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়ন ছাড়া শ্রমিকদের প্রকৃত সমস্যা সমাধান হবে না। তাই শ্রমনীতি বাস্তবায়নের আন্দোলনকে জোড়দার করার জন্য কাজ করতে হবে। তিনি মালিক শ্রমিকদের মধ্যে সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আহবান জানান। শ্রমিক ছাটাই বন্ধ,বকেয়া মজুরি প্রদান,ইদের আগে বোনাসসহ সকল পাওয়া দেয়ার দাবি করেন।