ফেনী রেলস্টেশন: উচ্ছেদের আড়ালে রয়ে গেল কারা ‘অদৃশ্য মালিক’?
ফেনী রেলস্টেশন দিনের আলোয় ভেঙে পড়লো টিনের ঘর, উড়ে গেলো অস্থায়ী দোকান। প্রশাসনের বুলডোজারের সামনে দাঁড়াতে পারেনি বছরের পর বছর গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা।
কিন্তু প্রশ্ন রয়ে গেছে—এই স্থাপনাগুলোর প্রকৃত মালিক কারা?
মাঠে দেখা গেলো, যাদের দোকান ভাঙা হলো তারা অধিকাংশই ভাড়াটিয়া। তাদের দাবি, তারা মাসের পর মাস ভাড়া দিয়েছেন, দিয়েছেন মোটা অংকের অগ্রিম। কিন্তু যাদের কাছে সেই টাকা গেছে—তাদের কাউকে দেখা যায়নি উচ্ছেদ অভিযানের সময়।
ভুক্তভোগীদের কণ্ঠে ক্ষোভ—
“আমরা টাকা দিয়ে বসেছি, আজ সব শেষ। কিন্তু যারা লাখ লাখ টাকা নিয়েছে, তারা কোথায়?”
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে রেলওয়ের জমি দখল করে তা ভাড়া দিয়ে আসছিল। অভিযোগ রয়েছে, এই সিন্ডিকেটের ছত্রছায়ায় অবৈধ বাণিজ্য চললেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা বলছেন, দখলমুক্ত করতে অভিযান চালানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তা চলবে। তবে দখলদার চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না—সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এই ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—
আইন কি শুধু দৃশ্যমান দুর্বলদের জন্যই কার্যকর, আর অদৃশ্য প্রভাবশালীরা থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে?