বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি ৩য় সংশোধিত প্রকল্পের উদ্বোধনী
০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ : বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র কর্তৃক পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি কার্যক্রম পুনরায় শুরু হতে যাচ্ছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকাল ৩টায় শাহবাগ সংলগ্ন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর প্রাঙ্গণে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি (৩য় সংশোধিত) প্রকল্প’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিদুর রহমান, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন ও পরিকল্পনা) এ. কে. এম আবদুল্লাহ খান এবং দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি (৩য় সংশোধিত) প্রকল্প-এর প্রকল্প পরিচালক ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (প্রশাসন) মুঃ বিল্লাল হোসেন খান।
দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি (৩য় সংশোধিত) প্রকল্পটির বাস্তবায়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র সারাদেশে মাঠ পর্যায়ে ৭৬টি ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি-গাড়ির মাধ্যমে ৬৪টি জেলার ৩৬৮টি উপজেলায় ৩২০০টি স্পটে সর্বসাধারণের জন্য লাইব্রেরি সেবা প্রদান করবে ।
#
কমরেড সৈয়দ আমিরুজ্জামানের শুভেচ্ছা
#
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন তৃতীয় প্রকল্পের মাধ্যমে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র কর্তৃক পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি কার্যক্রম পুনরায় শুরু করায় শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মৌলভীবাজার জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য, আরপি নিউজের সম্পাদক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট কমরেড সৈয়দ আমিরুজ্জামান বলেন, “আলোকিত মানুষ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের হাত ধরে ১৯৭৮ সালে যাত্রা শুরু করেছিল বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। ৪৮ বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটি স্বাধীন, চিন্তাশীল ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ তৈরির নিরলস সাধনায় নিবেদিত।”
তিনি আরও বলেন— “বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র কোনো গৎবাঁধা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়; এটি জ্ঞান, মনন ও সৃজনশীলতার এক সজীব অঙ্গন। অনুসন্ধিৎসু ও সৌন্দর্যপ্রবণ মানুষদের মিলনস্থলই এই কেন্দ্র। বই পড়ার অভ্যাস, জ্ঞানচর্চা ও রুচিশীল সংস্কৃতি বিকাশই এর লক্ষ্য।”
তার আশাবাদ— “এই ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি কার্যক্রম জ্ঞানপিপাসু মানুষের অংশগ্রহণে ‘আলোকিত মানুষ গড়ার’ আন্দোলন আরও বিকশিত হবে।”