দোয়ারায় টাইফয়েড ভ্যাকসিনের পর জ্বরে আক্রান্ত স্কুলছাত্র সাইফুল্লাহ মাহদি
চলমান টাইফয়েড ভ্যাকসিন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পর সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার আজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে। ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, গত ২১ অক্টোবর বিদ্যালয়ে টাইফয়েড প্রতিরোধক টিকা গ্রহণ করে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র সাইফুল্লাহ মাহদি (৯)। টিকা নেওয়ার পরপরই তার জ্বর দেখা দেয়। প্রাথমিকভাবে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টিকে সাধারণ প্রতিক্রিয়া মনে করলেও, পরবর্তীতে জ্বর না কমায় ২৫ অক্টোবর তাকে দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে ২৬ অক্টোবর ছাড়পত্র দেওয়া হলেও জ্বর ওঠানামা অব্যাহত থাকে।
পরে ৩১ অক্টোবর শিশুটিকে সুনামগঞ্জ শহরের আনিসা ক্লিনিকে নিয়ে গেলে শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মো.সামিউল হক পরামর্শ দেন উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে নেওয়ার। তার পরামর্শে গত ১ নভেম্বর সাইফুল্লাহ মাহদিকে সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং তার জ্বর কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানা গেছে।
মাহদীর পিতা প্রবাসী তাসনীম আলম মিজান বলেন, ভ্যাকসিন নেওয়ার পরপরই আমার ছেলের অসুস্থ হয়ে পড়ায় আমরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ি। তিনি বিষয়টি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের নজরে আনার দাবি জানিয়েছেন।
দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো.আবু সালেহীন খান,বিষয়টি রিপোর্ট করা হয়েছে, রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট সহ তদন্ত হবে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অবগত,শিশুটি বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছে।
ভ্যাকসিন গ্রহণের পর জ্বর দেখা দেওয়া বিরল নয়, তবে আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।
স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, টিকা দেওয়ার পর কিছু ক্ষেত্রে হালকা জ্বর, শরীর ব্যথা বা দুর্বলতা দেখা দিতে পারে, যা সাধারণত সাময়িক। তবুও এ ধরনের ঘটনা ঘটলে অভিভাবকদের দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
Jahangir Alam ইভেন তারা এর পরে আর খবরও নেয় নাই, একটা বাচ্ছাকে টিকা দেয়া হলো চাপ দিয়ে। স্কুল খাতা থেকে নাম কাটার ভয় দেখিয়ে। তারপরে হলো জ্বর। আর্থিক ক্ষতির কথা নাই বা বললাম মানসিক পেরেশানি। প্রথমে দোয়ারার ডাক্তারের পরামর্শে ২০০ টাকা দামের ৭ ইঞ্জেকশন, পরে সুনামগঞ্জের ডাক্তারের পরামর্শে ৪০০ টাকা দামের ৫ ইঞ্জেকশন, পরে সিলেটের মেডিকেলের ডাক্তারের দেয়া ২১ ইঞ্জেকশন। এখানেও কারসাজি, বাইরে এই ইঞ্জেকশন ৭০০ টাকা প্লাস। বাট তাদের মেডিকেলে দিতে হিয়েছে ১৩০০ টাকা করে। বাইরে থেকে কিনে এনে দিলে নার্সরা দিতে রাজি হয় না। (এর জবাব নেয়ার জায়গা নাই, আমাদের মতো সাধারণ মানুষের। তবে উইমেস মেডিকেলওয়ালারা এবার ভোটে দাড়াচ্ছেন। আইসেন ভোট চাওয়ার জন্য)। এত ছোট বাচ্ছার ভবিষ্যতে কী ইফেক্ট পরে জীবনে কে জানে। এর দায়ভার আসলে কার?
যারা টাইফয়েড টিকা দিলো তাদের, নাকি স্কুলের? নাকি দোয়ারা হাসপাতালের ডাক্তারের নাকি ডা. সামিউলের নাকি উইমেন্স মেডিকেলের?
যে ঐ দিন টাইফয়েডের টিকা দিলো, সে কি জিজ্ঞেস করেছে বাচ্ছাদের, জ্বর আছে কি না? এই তদন্তও করা দরকার। বাড়ি থেকে তার মা তাকে বলে দিয়েছেন, তার জ্বর, সে যেনো টিকা না দেয়। আমি যতদুর শুনেছি, আমি আমার ছেলেকে জিজ্ঞেস করলাম তোমার আম্মা নিষেধ করার পরেও কেন টিকা দিয়েছো? সে বলল তাদেরকে নাকি ভয় দেখানো হয়েছে টিকা না দিলে খাতা থেকে নাম কেটে দেয়ার।