ভাণ্ডারিয়ায় পরিবার পরিকল্পনা অফিসে দুর্নীতি
সংবাদ প্রকাশর ৩দিন পরে দুর্নীতি তদন্ত রির্পোটের আগেই বদলী
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শিল্পী হালদারের বিরুদ্ধে দুর্নীতিসহ নানা অভিযোগের পত্রিকায় নিউজ প্রকাশের পরে বরিশাল বিভাগের পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের পরিচালক মো. আবুল কালাম এক সদস্য বিশিষ্ট তদন্তে কর্মকর্তা নিয়োগ করেন। কিন্তু তদন্তরের রিপোর্ট প্রদানের আগেই পরিবার পরিবার কল্পনা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শোভন কুমার ঘোষ এর আদেশে তাকে গতকাল ৩০ এপ্রিল ভান্ডারিয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিস থেকে তার সুবিধামত ঝালকাঠী জেলার কাঠালিয়া উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে বদলী করেন । এই বর্তমান কর্মস্থল থেকে আগামী ৫ তারিখ এর মধ্যে নতুন কর্মস্থল কাঠালিয়া উপজেলায় বদলীর আদেশ প্রদান করেন। এদিকে তার বদলীর আদশ হলেও স্থাণীয় কমকর্তা, কর্মচারীদের মধ্যে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিচার না করে তাকে বদলী করায় তাকে দুনীতিতে করা উৎসাহ সামিল বলে মনে করেন এলাকাবাসী।
জানা গেছে, বরিশাল বিভাগের পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পরিচালক, মো. আবুল কালাম ১৯ এপ্রিল এক স্মারকে ঝালকাঠি জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (পরিবার পরিকল্পনা) সেরাজ আহমদকে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেন।
গত ২৭ এপ্রিল সকালে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের ঝালকাঠী জেলার সহকারি পরিচালক ছেরাজ আহমেদ নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি দিনভর অনুসন্ধান চালান। এসময় পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তদন্ত সংক্রান্ত নোটিশে অভিযুক্ত কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট মেডিকেল অফিসার, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক, মাঠকর্মীসহ স্থানীয় সাংবাদিক ও প্রেসক্লাব প্রতিনিধিদেরও উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
উল্লেখ্য, একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় ভাণ্ডারিয়া পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আবারও স্বেচ্ছাচারিতা অভিযোগ শিরোনামে নিউজ প্রকাশিত হলে পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের টনক নড়ে। প্রকাশ থাকে যে গত ৭ অক্টোবর জাতীয় দৈনিকে ভান্ডারিয়া পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের পারিশ্রমিক-ভ্রমণ ভাতায় কমিশন বাণিজ্য আটকে থাকে ফাইল শীর্ষক শিরোনামে আরোএকটি সংবাদ প্রকাশ হয়েছিল। উক্ত সংবাদের তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল এবং ৭ কর্ম দিবসের মধ্যে রিপোর্ট দেওয়া নিদের্শ দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ ৬য়মাসেও তদন্ত রির্পোট আলোর মুখ দেখেনি। পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের বিভাগী পরিচালক আবুল কালাম জানান একটি রিপোর্ট পেয়েছি। এই কমিটির তদন্ত রির্পোটে অসংগতি থাকায় উচ্চ পর্যায়ের আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটির রির্পোট পেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অনিয়ম ও দুর্নীতি করে কেউ পার পাবে না।
নির্বাহী সম্পাদক: মো: মোসাদ্দেক হোসেন বাবুল
প্রকাশক: ইমরান জামান কাজল
www.sawdeshtvnews.com