খিলগাঁও থানা মাদকদ্রব্য , কিশোর গ্যাং ও অস্ত্র ব্যবসায়ী সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য
৫ই অগাস্টের পর হতে খিলগাঁও থানার অবস্থা দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে বলে খিলগাঁও থানার স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিটি উড়িতে গলিতে চলছে কিশোর গেং ও অস্ত্রবাজ দের মহড়া ও কথিত চিহ্নিত স্থানীয় সন্ত্রাসীদের নিয়মিত আড্ডাবাজি, থানায় একাধিকবার খবর দিলেও প্রশাসনের ভূমিকা নিরব এটার সূরা হা-আদো হবে কিনা তা কেউ জানে না, ঢাকা নয় আসনের হাবিবুর রশিদ হাবিব বারবার এদেরকে নির্মূল করার কথা বললেও প্রশাসন তা কানে তুলে নি বলে একটি বিশ্বস্ত মহল জানায়, মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ীদের বক্তব্য আমরা প্রশাসনকে বিভিন্নভাবে টাকার বিনিময়ে হাত করে রেখেছি, যারা অভিযোগ মনোযোগ করবে দয়া করে তাদের লিস্ট বা নাম আমাদেরকে দিবেন, আপনারা বসে থাকবেন , আমরাই ব্যবস্থা করে নিব, এ ধরনের উক্তিতে সম্মতি জ্ঞাপন করে প্রশাসন তাদের ভূমিকা নীরবতায় , ও নিষ্ক্রিয়ভাবে প্রশাসনের কর্মকর্তা স্বল্পপরিসর রয়েছে বলে দাবি করে তাই এড়ানোর কথা স্বীকার করেছেন বলে , থানা প্রশাসনের নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক এক সৎ অফিসার সাংবাদিককে জানান , তিনি আরো বলেন , আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এরাই ফ্লাশ করে দেয় সবকিছু , তাই এত ভুক্তভোগীদের কষ্ট এবং আহত নিহত হয় , আমরা ছোটখাটো তাদের হুকুমের গোলাম , স্যারেরা যা বলে আমরা তাই করি , ভাই আমাদের কোন দোষ নেই এতে , যারা এ সমস্ত সাথে লিপ্ত আছে বিশেষ করে বড় বড় অফিসারগুলো তারাই সঠিক না, দেশ থেকে কিভাবে মাদক উচ্ছেদ হবে সন্ত্রাস উচ্ছেদ হবে তা আমাদেরও বোধগম্য না , আমরা যারা পুলিশ আছি যারা মাঠে কাজ করি , তারাও চাই আমাদের সন্তানরা সুপথে ফিরে আসুক , দুষ্ট লোকদের সাজা হোক, আমি মনে করি পুলিশের যে ডিবি এবং র্যাবের ভূমিকা কঠোর তারা অন্যায়কে বরদাস্ত করে না , আপনারা ডিবি অথবা রেবের নিকট আবেদন জানান তারাই দেখবেন সবকিছু ঠিক করে দেওয়ার মত পরিবেশ তৈরি করে দেবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি, উক্ত পুলিশ অফিসারের কথায় সত্যতা প্রমাণিত হয় যে , যেকোনো থানার ওসি এসি গন শুধু অর্থ কামানোর জন্যই থানায় বসে থাকে এবং সন্ত্রাসী মাদক ব্যবসায়ী কিশোর গ্যাংয়ের নিকট মাসিক মাসোয়ারার ভিত্তিতে তারা চুপচাপ থাকেন, নইলে এত আরোজগোতা কেন? গত ১৬ /৪ /২০২৬ ইং খিলগাঁও থানাধীন আদর্শ বাগ , রজনীগন্ধা রোডের অফিস এবং বাসায় খিলগাঁও প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক পাপ্পু চৌধুরীর উপর পুরো কিশোর গ্যাংয়ের সন্ত্রাসী গ্রুপ যেভাবে জোড়া হয়েছে , থানা একাধিক বার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খিলগাঁও থানা কে অবহিত করলেও তিনি কোন ফোন রিসিভ না করে , চুপচাপ বসে ছিলেন , এটা কি তার শোভনীয় আচরণ বলে বিবেচিত হয়েছিল , বলে জানান একাধিক সাংবাদিক বৃন্দ গন , অথচ ত্রিপল নাইনে ফোন দিলে তাৎক্ষণিক পুলিশের ব্যবস্থা হয়ে যায় এর মানে কি ট্রিপল নাইনের জোরটা বেশি ? প্রশ্নটিই খিলগাঁও থানা এলাকাবাসীর , স্থানীয় সকল সাংবাদিক ভাই ও বোনদের দাবি যে, দ্রুত উক্ত বিষয়ে সোচ্চার না হলে , ভবিষ্যতে আরো নানা সাধারন জনগণ হতে শুরু করে মা-বোনদেরও নিরাপত্তাহীনতায় চলাফেরা করতে হবে বলে মনে করছেন, সুশীল ব্যক্তিবর্গ , পয়সার লোভে পুলিশেরা , ফরিয়াদিদের নাম বলে দেয় এটা তো সঠিক সিদ্ধান্ত না , উক্ত সাংবাদিকের লিখিত দুটো gd ( সাধারণ ডায়েরি ) পড়ে আছে আইনি টেবিলে কিন্তু কোন সূরাহা না হওয়ার কারণে কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসীদের উৎপাত আরো বেড়ে গেছে বলে ভুক্তভোগী জানায়, ভুক্তভোগী জানায় যে সৎ অফিসার ছাড়া ঘুষখোর অফিসার দিয়ে প্রশাসনে কোন অভিযোগ দাতাই নিরাপদ না কারণ পুলিশ বলে দেয় সামান্য অর্থের লোভে, উক্ত পুলিশ অফিসারদের সরিয়ে ধার্মিক ও সৎ পুলিশ অফিসারদের কে নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন খিলগাঁও থানা এলাকাবাসীর বিভিন্ন মহল ও সাংবাদিকবৃন্দ , তারা বিভিন্নভাবে এখনো পর্যন্ত নানা অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ ও প্রমাণ পাওয়া গেছে
আগামীতে খিলগাঁও থানার একাধিক কিশোর গ্যাং গ্রুপের নাম ও সন্ত্রাসী অস্ত্রবাজ দের নামের তালিকা প্রকাশ করা হবে চোখ রাখুন
নির্বাহী সম্পাদক: মো: মোসাদ্দেক হোসেন বাবুল
প্রকাশক: ইমরান জামান কাজল
www.sawdeshtvnews.com