বিশাল কমী সমাবেশে অনুষ্টিত
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র – জনতার আন্দোলনে পতিত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার ফেরার আর কোনো সুযোগ নেই। সংস্কার মানুষের চাহিদার সাথে রুপ বদলায়।যারা অর্থনীতি লুটপাট করেছে তাদের সবাইকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।দেশে এখন বেশি প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য। দলের কর্মিরা মিলিত থাকলে কেউ বিভাজন সৃষ্টি করতে পারবেনা। একটি আধুনিক দলের নাম বাংলাদেশ জাতীয়তা বাদী দল।বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন
গত সোমবার বিকালে দীর্ঘ ১৬ বছর পর সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক ও সাবেক এমপি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনের সভাপতিত্বে ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক এডভোকেট নুরুল হক নুরুলের পরিচালনায় উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে পৌর শহরের পাবলিক ও মন্টু বাবুর খেলার মাঠে এক বিশাল কর্মী সমাবেশে তিনি প্রধান অথিতি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্টিত কমী সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক,জিকে গৌছ,
বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটি সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতা সিদ্দিকী,বিএনপির নিবাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান। অনুষ্টিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন,জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য শামসুল হক নমু,ফারুক আহমদ, আব্দুর রহমান, নজরুল ইসলাম, ফজলুর করিম বকুল, শামসুর রহমান সামছু,শফিকুল ইসলাম মতিন, সামসুর রহমান বাবুল, জসিম উদ্দিন সুমেন,জসিম উদ্দিন সালমান প্রমূখ।
সাবেক এমপি মিলনের নেতৃত্বে সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি গঠন হওয়ায় পর,সুনমগঞ্জ জেলার অধিনস্ত প্রতিটি উপজেলার মধ্যে প্রথম কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হওয়ায়, উপজেলায় বিএনপিরনেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
মৃতপ্রায় বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করতে নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনের গতিশীল নেতৃত্বে সারা জেলায় বিএনপির কর্মী সমাবেশ আয়োজনের মাধ্যমে নেতাকর্মীরা প্রাণ ফিরে পেয়েছেন বলে বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা দাবি করেন। ছাতক বিএনপির কর্মী সমাবেশে হাজার হাজার নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতি এটা প্রামাণীত হয়েছে বলে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরা তাদের এমন অভিমত ব্যক্ত করেন। নেতাকর্মীরা আশাবাদী সারা জেলায় মিলনের নেতৃত্বে ত্যাগী ও সঠিক নেতাদের মূল্যায়ন হবে বলে তারা জানান।
বিএনপির এ কর্মী সমাবেশ সকাল ১১টায়
শুরু হলে ও বিকেল ৩ টার মধ্যে বিশাল জনসভায় রুপ নেয়। এসময় বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী এ কর্মী সভায় অংশ নেন। এসময় নেতাকর্মীরা জানান দীর্ঘ ১৬ বছর পর স্বৈরাচার হাসিনার পতনের পর তারা স্বাধীনভাবে সমাবেশ করতে পারায় খুবই আনন্দিত। কোন রকম পুলিশি হয়রানি না থাকায় তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমাবেশে যোগ দিতে পেরেছেন।এর আগে তারা এরকম সমাবেশ করতে গিয়ে বাসা-বাড়ীতে পুলিশি হয়রানি, হামলা ও মামলার শিকার হয়েছিলেন বলে দাবি করেন।
I am extremely impressed with your writing abilities as well as with the structure on your weblog.
Is this a paid topic or did you customize it your self?
Anyway keep up the excellent quality writing, it’s rare to look a nice weblog like this one today.
Stan Store!